রাজবাড়ীতে মানবপাচার মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন

২ মিনিটে পড়ুন৫ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ীতে মানবপাচার মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের পৃথক ধারায় আরও কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাজবাড়ী মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. তহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার ধুলিয়াট গ্রামের বাসিন্দা আদো মণ্ডলের ছেলে মো. রেজাউল মণ্ডল ও মৃত আতর আলী মিয়ার ছেলে মো. শহিদুল মিয়া।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ১০ মে রাত ১০টার দিকে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে ফারুক ও তাঁর খালাতো ভাই আজিজুল ইসলামকে প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে যান রেজাউল মণ্ডল ও শহিদুল মিয়া। ঘটনার ১৭ দিন পর পাচারকারীদের কাছ থেকে কৌশলে পালিয়ে বাড়ি ফেরেন আজিজুল ইসলাম। তবে এরপর থেকে ফারুকের আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। মানবপাচারের শিকার ফারুক ওরফে মারুফের বয়স তখন ছিল ১৬ বছর। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে নিখোঁজ ছেলের সন্ধান করে আসছে তাঁর পরিবার।

রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাঁদের আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এ ছাড়া প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, উভয় ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। পাশাপাশি পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আগে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করে সাজা উল্লেখপূর্বক নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

Bhinno Britto

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় অনুমোদনের পর প্রকাশিত হয়।