ক্ষমতার দাপট রুখতে প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা: দুই সপ্তাহে পদ হারালেন দুই শীর্ষ নেতা

২ মিনিটে পড়ুন৪ বার পড়া হয়েছে

প্রভাব কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে সরকার ও দলের উচ্চপর্যায়ে কড়া বার্তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাড়ে তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ (মিষ্টি) এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির নির্দেশ দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের ব্যাপারে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে।

দলীয় ও মন্ত্রিপরিষদ সূত্রে জানা যায়, ক্ষমতার দাপট দেখানো কিংবা দায়িত্বের সীমা লঙ্ঘন করে দল ও সরকারকে বিতর্কের মুখে ফেললে ছাড় পাবেন না কেউই—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এটাই প্রমাণ করেছেন। মিরপুরের একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ঘনিষ্ঠদের নাম আসায় ১ অক্টোবর সংসদ সদস্য পদে ইস্তফা দেন ফেরদৌসী আহমেদ। অন্যদিকে, অস্ত্র উঁচিয়ে বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করায় রোববার সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে সোমবার ইশরাক হোসেন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

বিষয়টি নিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মন্ত্রী ও বিএনপির নীতিনির্ধারক জানান, ব্যক্তিবিশেষের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের দায়ভার কখনোই দল কিংবা সরকার বহন করবে না—এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সকল জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য সেই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা ও সরকারের বার্তা নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, “রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সুশাসনের বাইরে গিয়ে ক্ষমতা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজেই সাদামাটা জীবনযাপন ও বিনীত আচরণের মাধ্যমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, যা সবার জন্য শিক্ষণীয়।” মূলত জনস্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সরকারের ভাবমূর্তি বজায় রাখতেই কঠোর এ অবস্থান বজায় রাখছেন দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী।

Bhinno Britto

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় অনুমোদনের পর প্রকাশিত হয়।