চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আসছে নতুন আইন, জনরোষ ও আইনি মারপ্যাঁচ এড়াতে পুলিশের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের ঘোষণা আইজিপির

২ মিনিটে পড়ুন১ বার পড়া হয়েছে

চাঁদাবাজির মতো অপরাধ নির্মূলে এবং পুলিশি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে খুব শীঘ্রই একটি নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, চাঁদাবাজরা সমাজের প্রভাবশালী কিংবা সন্ত্রাসী চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকায় সাধারণ মানুষ ভয়ে অনেক সময় থানায় অভিযোগ দিতে সাহস পায় না। এ কারণে পুলিশের স্বউদ্যোগে ও ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রেখে নতুন এই আইন আনা হচ্ছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনসে বিভাগীয় কমিউনিটি পুলিশিং বিষয়ক সুধী সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইজিপি এসব কথা বলেন।

অপরাধ দমনে পুলিশি পদক্ষেপ ও সাধারণ মানুষের দ্বিমুখী সমালোচনার কথা তুলে ধরে আইজিপি আলী হোসেন বলেন, “আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে কখনো বলা হয় অপরাধীদের ওপর বল প্রয়োগ করা হোক, আবার বল প্রয়োগ করলে বলা হয় পুলিশ ফ্যাসিস্ট। অন্যদিকে বল প্রয়োগ না করলে বলা হয় দুর্বল পুলিশ। আমরা এই উভয়সংকট বা বিতর্ক দেখতে চাই না।” মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ গঠনে নীতিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে আইজিপি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতি থেকে পুলিশ ঘুরে দাঁড়িয়ে বর্তমানে সম্পূর্ণ উদ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। তবে রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান সম্ভব না হলেও সার্বিক অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরে সমাজে মাদকের শেকড় শক্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করে বর্তমান সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। সমাজ থেকে মাদক, কিশোর গ্যাং এবং চাঁদাবাজির মতো অপসংস্কৃতি নির্মূলে পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ জন্য তিনি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

Bhinno Britto

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় অনুমোদনের পর প্রকাশিত হয়।