জাপানে জেরার এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন তারেক রহমানের
জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির চিবা প্রিফেকচারের ফুতসু শহরে অবস্থিত জেরা (JERA)-এর স্থলভিত্তিক তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন।
জাপানের জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনের এ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী যারা
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, পররাষ্ট্রসচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় গুরুত্ব
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের অন্যতম লক্ষ্য দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণ। সফরসূচিতে জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনের পাশাপাশি জাপানের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের কর্মসূচি রাখা হয়েছে।
জেরা জাপানের জ্বালানি খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এলএনজি আমদানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম রয়েছে। বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলোও এ সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তবে জেরা টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে নতুন কোনো চুক্তি বা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
