বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে জাপানের কৌশলগত আগ্রহ, বাংলাদেশের সঙ্গে বাড়ছে সামুদ্রিক ও অবকাঠামো সহযোগিতা

১০ মিনিটে পড়ুন৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহ বাড়াচ্ছে জাপান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফরে ছয়টি সহযোগিতা-দলিল স্বাক্ষর, প্রায় ২৯৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ঋণসহায়তার প্রতিশ্রুতি এবং বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি উদ্যোগের নতুন কাঠামো ঘোষণা—সব মিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের কৌশলগত মাত্রা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপান সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৭ অক্টোবর টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, জ্বালানি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ভূরাজনীতি

বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ২০১৪ সালে দুই দেশের সম্পর্ক ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’ বা ব্যাপক অংশীদারত্বে উন্নীত হয়। ২০২৩ সালে তা ‘স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ বা কৌশলগত অংশীদারত্বের মর্যাদা পায়।

সাম্প্রতিক সফরে এই সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয় বা ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ (বিগ-বি) উদ্যোগকে ‘বিগ-বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ নামে নতুন কৌশলগত সহযোগিতা কাঠামোয় রূপ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

নতুন কাঠামোর চারটি প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে—যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় সহযোগিতা।

এ উদ্যোগের আওতায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কক্সবাজারের মাতারবাড়ী-মহেশখালী অঞ্চলকে কেন্দ্র করে সমন্বিত শিল্প, জ্বালানি ও লজিস্টিকস অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর।

বঙ্গোপসাগর কেন জাপানের কাছে গুরুত্বপূর্ণ

জাপানের আগ্রহের একটি বড় কারণ বঙ্গোপসাগরের ভৌগোলিক অবস্থান। দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত এই সমুদ্রাঞ্চল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথের অংশ।

জাপান তার জ্বালানি, খনিজ ও খাদ্যপণ্যের উল্লেখযোগ্য অংশ আমদানির ওপর নির্ভর করে। দেশটির আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের জন্য ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই অঞ্চলে নিরাপদ নৌ চলাচল, বন্দরসংযোগ এবং সামুদ্রিক নজরদারির সক্ষমতা বাড়ানো টোকিওর অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের জুলাইয়ে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের নৌবাহিনীর কাছে পাঁচটি টহল নৌযান হস্তান্তরের সময়ও বিষয়টি স্পষ্ট করেছিল। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, জাপানের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের পাশে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অবস্থান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। টহল নৌযানগুলো বাংলাদেশের নৌবাহিনীর নজরদারি, পর্যবেক্ষণ ও দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সামুদ্রিক নিরাপত্তায় অবদান রাখার প্রত্যাশা জানায় জাপান।

সাম্প্রতিক সফরেও এ সহযোগিতা সম্প্রসারিত হয়েছে। বাংলাদেশকে একটি টহল জাহাজ দিতে প্রায় ২ কোটি ১৩ লাখ ৪৪ হাজার ডলার নয়, বরং প্রায় ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪৪ হাজার ডলারের অনুদান চুক্তি হয়েছে। জাহাজটি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সামুদ্রিক অপরাধ দমন, সমুদ্রে দুর্ঘটনা মোকাবিলা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে ব্যবহারের কথা রয়েছে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন মাত্রা

বাংলাদেশ-জাপান নিরাপত্তা সহযোগিতা কেবল টহল নৌযান সরবরাহে সীমাবদ্ধ নেই। চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি দুই দেশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তরবিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য একটি আইনি কাঠামো তৈরি হয়েছে।

চুক্তিতে সরঞ্জাম ব্যবহারের নিয়ম, তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে হস্তান্তর এবং নির্ধারিত উদ্দেশ্যের বাইরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাপানের মতে, এর ফলে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়বে এবং জাপানের নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত ভিত্তিও শক্তিশালী হবে।

এর আগে জুলাই মাসে জাপানের ‘অফিশিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের নৌবাহিনী পাঁচটি টহল নৌযান পেয়েছে। নতুন চুক্তির আওতায় কোস্ট গার্ডের জন্য আরও একটি টহল জাহাজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এসব পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায়, দুই দেশের সম্পর্কের নিরাপত্তা উপাদান ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে নজরদারি, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা এবং উপকূলীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে তুলতে চাইছে।

মাতারবাড়ী বন্দর ও আঞ্চলিক যোগাযোগে জাপানের পরিকল্পনা

বাংলাদেশে জাপানের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অবকাঠামো। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে জ্বালানি, শিল্পাঞ্চল ও পরিবহন অবকাঠামো সমন্বিত করার পরিকল্পনা নতুন বিগ-বি কাঠামোর অন্যতম অংশ।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাতারবাড়ী-মহেশখালী অঞ্চলকে সমন্বিত লজিস্টিকস, জ্বালানি ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে দুই দেশের নেতারা একমত হয়েছেন। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে নেওয়া এবং ঢাকার গণপরিবহনব্যবস্থায় মেট্রোরেল প্রকল্প সম্প্রসারণেও সহযোগিতার বিষয় এসেছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বন্দর, বিমান ও স্থলভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থার সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্যপথের সংযোগ বাড়তে পারে।

এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে জাপানি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়েছে।

তবে এটি ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের প্রক্ষেপণ; ইতিমধ্যে বিনিয়োগ সম্পন্ন হওয়া বা কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ার তথ্য নয়। বাস্তব অগ্রগতি নির্ভর করবে প্রকল্প নির্বাচন, বিনিয়োগ পরিবেশ, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের ওপর।

সফরে দুই দেশ ছয়টি সহযোগিতা-দলিল স্বাক্ষর করেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহযোগিতা। পাশাপাশি দুটি প্রকল্পে মোট ৪৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ২৯৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের ঋণসহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এর একটি বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে এবং অন্যটি উপজেলা পর্যায়ের স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ব্যবহারের কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যের ভিত্তিতে দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ৩ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল। গত এক দশকে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি তিন গুণেরও বেশি বেড়েছে। জাপান বর্তমানে বাংলাদেশের নবম বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য এবং এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার।

দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা ইপিএ (EPA) ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে। সাম্প্রতিক বৈঠকে চুক্তিটি দ্রুত কার্যকর করার বিষয়েও দুই দেশের নেতারা গুরুত্ব দিয়েছেন।

চীন-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিযোগিতার প্রভাব কতটা?

বাংলাদেশে জাপানের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতিকে শুধু উন্নয়ন সহযোগিতার দৃষ্টিতে দেখছেন না ভূরাজনীতি বিশ্লেষকেরা। দ্য ডেইলি স্টার-এ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে লেখক মোহাম্মদ হিমেল রহমান উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কৌশলগত প্রতিযোগিতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে চীনের প্রভাব বৃদ্ধির বিষয়টিও জাপানের হিসাবের অংশ হতে পারে।

বিশ্লেষণটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অবকাঠামো ও প্রতিরক্ষা খাতে জাপানের সহযোগিতা বাড়লে ঢাকার সামনে বিকল্প অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি হবে। এতে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির উৎসও আরও বৈচিত্র্যময় হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। জাপান ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক যৌথ বিবৃতিতে চীনের নাম উল্লেখ করে কোনো প্রতিযোগিতার কথা বলা হয়নি। বরং সেখানে ‘ফ্রি অ্যান্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক’ ধারণা, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলা, আঞ্চলিক শান্তি এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছে। ফলে চীনকে মোকাবিলা করাই জাপানের একমাত্র উদ্দেশ্য—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।

কূটনৈতিক সহযোগিতাও বাড়ছে

অর্থনীতি ও নিরাপত্তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও দুই দেশের সমন্বয়ের বিষয় উঠে এসেছে। সাম্প্রতিক বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, জাপানি নাগরিক অপহরণের বিষয় এবং মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও দুই নেতা একমত হয়েছেন। এতে বোঝা যায়, সহযোগিতার ক্ষেত্র এখন বাণিজ্য ও অবকাঠামোর বাইরে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও বিস্তৃত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সম্পর্ক এখন তিনটি প্রধান ক্ষেত্রে এগোচ্ছে—অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্য, বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক অবকাঠামো ও যোগাযোগ এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। তবে বিনিয়োগের ঘোষিত সম্ভাবনা, ঋণসহায়তা ও অবকাঠামো পরিকল্পনা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, তার ওপরই নির্ভর করবে এই অংশীদারত্বের দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল।

Bhinno Britto

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় অনুমোদনের পর প্রকাশিত হয়।