দোহাজারীতে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি, বাড়ছে জনদাবি

৩ মিনিটে পড়ুন৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে চলাচলকারী সব ট্রেনের দোহাজারী স্টেশনে যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় যাত্রীরা। মহাসড়কে বাসভাড়া বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এ দাবি নতুন করে জোরালো হচ্ছে। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষের যাতায়াত সহজ ও সাশ্রয়ী করতে সব ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি উঠেছে।

প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে মহানগর, কক্সবাজার, সৈকত, পর্যটক ও প্রবাল এক্সপ্রেসসহ পাঁচ জোড়া ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে চকরিয়া, সাতকানিয়া, দোহাজারী ও পটিয়া স্টেশনে মূলত সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস যাত্রাবিরতি দেয়। অন্যদিকে মহানগর, কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনগুলো মধ্যবর্তী এসব স্টেশনে থামে না।

স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দোহাজারী পৌরসভার সাবেক মেয়র লোকমান হাকিম ২০২৩ সালের ৮ নভেম্বর রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেন। রেলপথটি চালুর পর থেকেই দোহাজারী স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে দোহাজারী রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশনমাস্টার ইকবাল হোসেন জানান, যাত্রাবিরতির দাবিতে পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া ও চকরিয়ার যাত্রীরা পৃথকভাবে আবেদন ও দাবি জানিয়েছেন। প্রতি ৫০ কিলোমিটার দূরত্বে ট্রেনের যাত্রাবিরতির বিষয়টি বিবেচনায় নিলে দোহাজারী ও চকরিয়া স্টেশনে আরও ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালুর সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, যাত্রীসংখ্যার দিক থেকে সাতকানিয়া স্টেশনেও উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। তবে জনবলসংকটের কারণে স্বল্প দূরত্বের একাধিক স্টেশনে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। সময়মতো ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো গেলে সব স্টেশনেই যাত্রীসংখ্যা বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বর্তমানে এ রেলপথে ১০টি ট্রেন চলাচল করছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়দের মতে, দোহাজারী একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও যোগাযোগকেন্দ্র। এ স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু হলে চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও বান্দরবান জেলার আশপাশের এলাকার যাত্রীরা উপকৃত হবেন। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ঐতিহ্যবাহী দোহাজারী রেলস্টেশনের হারানো জৌলুশও ফিরে আসবে। পাশাপাশি সড়কপথে যানবাহনের চাপ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমার পাশাপাশি স্বল্প ব্যয়ে যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

Bhinno Britto

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় অনুমোদনের পর প্রকাশিত হয়।