বসুন্ধরায় নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার, গলায় আঘাতের চিহ্ন
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি টিনের ছাপরা থেকে আলমগীর হোসেন (৫২) নামের এক নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অপেক্ষা করতে হবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
শরীরে আঘাতের চিহ্ন
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল ওয়াদুদের ভাষ্য অনুযায়ী, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম ব্লকের ৮/এ সড়কের একটি টিনের ছাপরায় থাকতেন আলমগীর। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, মরদেহের ঠোঁটের বাঁ পাশে কাটা ও রক্তাক্ত ক্ষত ছিল। এ ছাড়া গলায় আঙুলের চাপের দাগ এবং ডান পায়ের হাঁটুর নিচে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এসব লক্ষণের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নাটোরের বাসিন্দা আলমগীর
আলমগীর হোসেন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর বাড়ি নাটোরের বাগাতিপাড়া থানার সাইলকোনা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মৃত কলিম উদ্দিন প্রামাণিক।
ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, এর পেছনে কোনো বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত প্রয়োজন। মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্তের অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ হবে।
রাজধানীর আবাসিক এলাকায় কর্মরত নিরাপত্তাকর্মীর এমন মৃত্যু কর্মক্ষেত্রে তাঁদের নিরাপত্তা এবং আবাসিক এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করেছে।
