এইচএসসি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি অকৃতকার্য যে দুই বিষয়ে

৩ মিনিটে পড়ুন৬ বার পড়া হয়েছে

উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার বোর্ড ভিত্তিক ও দেশব্যাপী ফল বিশ্লেষণের পর সরকারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জাতীয় দৈনিকগুলোর অফিসিয়াল পরিসংখ্যানে একটি বড় সত্য প্রকাশ পেয়েছে। পাসের হারে সবচেয়ে বড় ধস নামানোর পেছনে মূলত দায়ী দুটি আবশ্যিক বিষয়: ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)।

সবচেয়ে বেশি ফেল হওয়া প্রধান বিষয়সমূহ

শিক্ষা বোর্ডগুলোর সমন্বিত ফল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশজুড়ে এই দুই বিষয়ে সবচেয়ে বড় সংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন:

  1. ইংরেজি (English):
    • অকৃতকার্যের সংখ্যা: প্রায় ২,৪৩,৫২৮ জন।
    • পরিস্থিতি: প্রতি বছরই এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায় ইংরেজি বিষয়। বিশেষ করে দ্বিতীয় পত্রের ব্যাকরণ (Grammar) অংশ ও লিখিত রূপ রূপান্তরে দুর্বলতার কারণে প্রতি বোর্ডে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ইংরেজিতে ধাক্কা খেয়েছেন।
  2. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT):
    • অকৃতকার্যের সংখ্যা: প্রায় ১,৩৮,৪৯৩ জন।
    • পরিস্থিতি: প্র্যাকটিক্যাল বা সৃজনশীল অংশের সঠিক প্রস্তুতি না থাকা এবং প্রোগ্রামিং/ডাটাবেজের মতো বিষয়ের উত্তর সঠিকভাবে দিতে না পারায় আবশ্যিক এই বিষয়ে অকৃতকার্যের হার দ্বিতীয় শীর্ষে।

নোট: এই দুটি বিষয়ে সম্মিলিতভাবে অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন পরীক্ষার্থী।

বিভাগভিত্তিক ফলের চিত্র: শীর্ষে মানবিক শাখা

শাখাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সার্বিকভাবে মানবিক (Humanities) বিভাগের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে।

  • মানবিক বিভাগ: পাসের হার সর্বনিম্ন ৪২.১৭%। ইংরেজি ও অন্যান্য আবশ্যিক বিষয়ের খারাপ ফলের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে এই শাখায়।
  • ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ: পাসের হার ৫০.৭৭%।
  • বিজ্ঞান বিভাগ: সবচেয়ে ভালো ফল ধরে রেখেছে, পাসের হার ৭৩.১২%।

📊 এক নজরে মূল পরিসংখ্যান

বিষয় / খাতঅকৃতকার্য / পাশের হার
সবচেয়ে বেশি ফেল (বিষয়)১. ইংরেজি (২,৪৩,৫২৮ জন)
২. আইসিটি (১,৩৮,৪৯৩ জন)
সর্বনিম্ন পাসের হার (শাখা)মানবিক বিভাগ (৪২.১৭%)
সর্বোচ্চ পাসের হার (শাখা)বিজ্ঞান বিভাগ (৭৩.১২%)

সূত্র: শিক্ষা মন্ত্রণালয় (ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং) ও জাতীয় সংবাদপত্র (দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, প্রথম আলো, দৈনিক যুগান্তর)।

ট্যাগ:
bhinnobritto@gmail.com

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় অনুমোদনের পর প্রকাশিত হয়।