এইচএসসি ও সমমানে পাস ৬ লাখ ৪৬ হাজার, ফেল ৫ লাখ ৯৪ হাজার

১১ মিনিটে পড়ুন৪ বার পড়া হয়েছে

১১ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল এক নজরে

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফলের বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।

গত বছর ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশীয় পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত বছর ৬৯ হাজার ৯৭ জন জিপিএ-৫ পেলেও এবার পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।

৯ সাধারণ বোর্ডে ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৭ হাজার ২৮১ জন। এসব বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ঐতিহাসিক তথ্যের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর সম্মিলিত পাসের হার গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সর্বশেষ ২০০৪ সালে এ হার এর চেয়ে কম ছিল; ওই বছর পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সব কটিতেই গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে। সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে বরিশাল বোর্ডে। গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, এবার তা কমে হয়েছে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফল একনজরে

শিক্ষা বোর্ডপরীক্ষায় অংশগ্রহণপাসঅকৃতকার্যপাসের হারজিপিএ-৫
ঢাকা২,৯৭,৬২১১,৮৩,৯৩০১,১৩,৬৯১৬১.৮০%১৬,৭১৪
রাজশাহী১,৩৭,৩৫৬৬১,৮৯৪৭৫,৪৬২৪৫.০৬%৪,৫২০
কুমিল্লা৯২,১৬২৪৪,২৭২৪৭,৮৯০৪৮.০৪%১,৩১৩
যশোর১,১২,৭৯১৫০,৬৬৮৬২,১২৩৪৪.৯২%৩,২২৮
চট্টগ্রাম৯৬,৩৩৫৫০,১৬৬৪৬,১৬৯৫২.০৭%২,৯২৯
বরিশাল৫৭,৯১২২৫,৯৭০৩১,৯৪২৪৪.৮৪%৯৫০
সিলেট৭১,৮৯৩৩৬,৫৯৭৩৫,২৯৬৫০.৯০%১,২০৪
দিনাজপুর১,১১,৭৮৭৫১,৩৯৮৬০,৩৮৯৪৫.৯৮%২,৯৫৩
ময়মনসিংহ৭০,৬৭৩৩৬,৩৫৪৩৪,৩১৯৫১.৪৪%২,১৩৭
মাদ্রাসা৮৯,৩২১৫৪,৫৪৭৩৪,৭৭৪৬১.০৭%৩,২৫০
কারিগরি১,০২,৯৪৭৫০,৮৮৯৫২,০৫৮৪৯.৪৩%৮৮৬
সর্বমোট১২,৪০,৭৯৮৬,৪৬,৬৮৫৫,৯৪,১১৩৫২.১২%৪০,০৮৪

অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী থেকে পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাদ দিয়ে হিসাব করা হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২১ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯৩০ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৬৯১ জন।

জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭১৪ জন শিক্ষার্থী। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায়ও শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৫৬ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৬১ হাজার ৮৯৪ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২০ জন।

বোর্ডের অধীনে আট জেলার ৭৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৯টিতে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে ৯টি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এবার পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৩১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেন ৯২ হাজার ১৬২ জন। তাঁদের মধ্যে ৪৪ হাজার ২৭২ জন পাস করেছেন এবং ৪৭ হাজার ৮৯০ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন।

বোর্ডের অধীনে ৪৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটির সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। বিপরীতে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

ফলাফলে ছাত্রীদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। ৫৫ হাজার ৪৩৪ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছেন ২৮ হাজার ৪১৫ জন। অন্যদিকে ৩৬ হাজার ৭২৮ জন ছাত্রের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৫ হাজার ৮৫৭ জন।

যশোর শিক্ষা বোর্ড

যশোর শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ৫১০ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫০ হাজার ৬৬৮ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৬২ হাজার ১২৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২২৮ জন।

বোর্ডের অধীনে ১০ জেলার ৫৭১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৬টিতে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। মোট ৯৯ হাজার ৮৭৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেন ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৬৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন।

এ বোর্ডে এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ২২ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তিনটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৭ হাজার ৯১২ জনের মধ্যে পাস করেছেন ২৫ হাজার ৯৭০ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩১ হাজার ৯৪২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন।

বোর্ডের অধীনে বিভাগের ছয় জেলার ৩৫০টি কলেজের মধ্যে ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের ৩৭ জন পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। অন্যদিকে বরিশাল ক্যাডেট কলেজের ৪৬ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশীয় পয়েন্ট।

সিলেট শিক্ষা বোর্ড

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৭১ হাজার ৮৯৩ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৯৭ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩৫ হাজার ২৯৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন।

বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭২ হাজার ৯৫৫ জন। তাঁদের মধ্যে ৭১ হাজার ৮৯৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে বেশি, ৬৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪৭ দশমিক ৮১ শতাংশ।

লিঙ্গভিত্তিক ফলে ছাত্রীদের পাসের হার ৫২ দশমিক ৩৮ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৪৮ দশমিক ৭২ শতাংশ।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫১ হাজার ৩৯৮ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৬০ হাজার ৩৮৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৩ জন।

বোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগের আট জেলার ৬৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৯টিতে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে ছয়টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

এবার এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৩২ হাজার ৪৫৯ জন এবং দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ১৪ হাজার ২৩৬ জন। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইংরেজি এবং বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান বিষয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ বোর্ডে ৭৩ হাজার ৪২০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিলেন। তবে পরীক্ষায় অংশ নেন ৭০ হাজার ৬৭৩ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩৪ হাজার ৩১৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ১৩৭ জন।

বোর্ডের অধীনে ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৯টিতে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫ হাজার ৬৪৭ জন ছাত্র এবং ২০ হাজার ৭০৭ জন ছাত্রী। ইংরেজি ও হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে তুলনামূলক বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সামগ্রিক ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড

২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮৯ হাজার ৩২১ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৫৪ হাজার ৫৪৭ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩৪ হাজার ৭৭৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন।

বোর্ডের অধীনে ২ হাজার ৭০৯টি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ৪৬০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন।

পাসের হারে ছাত্রীদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদের পাসের হার ৫৮ দশমিক ১০ শতাংশ, আর ছাত্রীদের ৬৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্ররা এগিয়ে। ২ হাজার ২৮ জন ছাত্র এবং ১ হাজার ২২২ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ লাখ ২ হাজার ৯৪৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৫০ হাজার ৮৮৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫২ হাজার ৫৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন।

এ বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও এইচএসসি (ডিপ্লোমা ইন কমার্স) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

লিঙ্গভিত্তিক ফলে ছাত্রীদের পাসের হার ৬১ দশমিক ৬৪ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৪৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৮৬ জনের মধ্যে ১৮০ জন ছাত্র এবং ৭০৬ জন ছাত্রী।

পাসের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা, জিপিএ-৫-এ ছাত্ররা

১১টি শিক্ষা বোর্ডের সম্মিলিত ফলাফলে পাসের হারে ছাত্রীদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছেন ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। অন্যদিকে ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন ছাত্রের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। অর্থাৎ ছাত্রদের তুলনায় ৬৬ হাজার ৩৭১ জন বেশি ছাত্রী পাস করেছেন।

তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্ররা এগিয়ে। এবার ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন করেছেন।

ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ থেকে ৭ নভেম্বর

ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে আবেদনপদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।

এবারের ফলাফলে ১১টি বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৭১ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জনে।

Bhinno Britto

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় অনুমোদনের পর প্রকাশিত হয়।