দক্ষতা ও ইতালীয় ভাষা শিখে বিনা খরচে ইতালি যাওয়ার সুযোগ, কারা পাবেন এই সুবিধা?
দক্ষ কর্মীদের জন্য ইতালিতে বৈধভাবে কাজের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ইতালীয় ভাষা, নাগরিক জীবন সম্পর্কে ধারণা এবং নির্দিষ্ট পেশাগত দক্ষতার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে বাংলাদেশ থেকেই দেশটিতে কাজের জন্য যাওয়ার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত কর্মীরা। এ ক্ষেত্রে তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যয় বহন করবেন ইতালীয় নিয়োগকর্তারা। কোনো মধ্যস্থতাকারীকে অর্থ না দিয়েই নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ল্যাঙ্গুয়েজ, সিভিক অ্যান্ড প্রফেশনাল ট্রেনিং ফর স্কিলড মাইগ্রেশন টু ইতালি’ শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, খুব শিগগির সীমিত পরিসরে এই কার্যক্রম শুরু হবে।
ইতালির দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে দেশটির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) বাংলাদেশ মিশনপ্রধান ড. লরা টম বন্ডেসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কী এই Article 23, কীভাবে মিলবে ইতালি যাওয়ার সুযোগ?
এই উদ্যোগের মূল ভিত্তি ইতালির অভিবাসন আইন ‘টেস্টো ইউনিকো সুল্লা ইমিগ্রাজিওনে’র ২৩ নম্বর ধারা বা Article 23।
২০২৩ সালে ইতালির অভিবাসন আইনে সংশোধনের মাধ্যমে বিদেশে বসবাসকারী দক্ষতাপ্রত্যাশী কর্মীদের জন্য এ বিশেষ ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়। এর অধীনে ইতালির শ্রম ও সামাজিক নীতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুমোদিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন করা বিদেশি কর্মীরা দেশটির প্রচলিত বার্ষিক শ্রমিক নিয়োগ কোটা ‘ডেক্রেতো ফ্লুসি’র বাইরে কাজের জন্য প্রবেশের সুযোগ পান।
সাধারণত ইতালিতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবছর নির্দিষ্ট সংখ্যক কর্মীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। আবেদন, নিয়োগকর্তার অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও থাকে।
কিন্তু Article 23-এর ক্ষেত্রে অনুমোদিত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা কর্মীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ রয়েছে। ফলে তাঁদের সাধারণ নিয়োগ কোটার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে সুযোগ পেতে হয় না।
তবে প্রশিক্ষণ শেষ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসা পাওয়া যাবে না। ইতালির কোনো নিয়োগকর্তাকে সংশ্লিষ্ট কর্মীর নামে চাকরির অনুমোদনের আবেদন করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে ভিসার সিদ্ধান্ত দেবে ইতালির দূতাবাস।
কী কী প্রশিক্ষণ নিতে হবে?
এই ব্যবস্থায় প্রশিক্ষণকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
প্রথমত, ইতালীয় ভাষা শিক্ষা। কর্মীদের অন্তত এ১ পর্যায়ের ইতালীয় ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। ইতালির সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভাষা প্রশিক্ষণের জন্য ন্যূনতম ১০০ ঘণ্টা নির্ধারিত রয়েছে।
দ্বিতীয়ত, নাগরিক ও সামাজিক শিক্ষা। এতে ইতালির সমাজব্যবস্থা, সংস্কৃতি, সংবিধানের মৌলিক ধারণা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ অংশে অন্তত ১০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণের নির্দেশনা রয়েছে।
তৃতীয়ত, পেশাগত প্রশিক্ষণ। কর্মীরা যে খাতে কাজ করতে যাবেন, সে অনুযায়ী তাঁদের কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি ইতালির শ্রম আইন, কর্মীদের অধিকার, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
পেশাগত প্রশিক্ষণের সময়কাল ও বিষয়বস্তু নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট চাকরি এবং নিয়োগকর্তার চাহিদার ওপর।
বাংলাদেশের জন্য ইতিমধ্যে অনুমোদিত প্রকল্প রয়েছে
এই উদ্যোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এটি শুধু ঘোষণার পর্যায়ে নেই। ইতালির সরকারি অভিবাসনবিষয়ক তথ্যভান্ডারে বাংলাদেশের জন্য ইতিমধ্যে একাধিক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের অনুমোদনের তথ্য রয়েছে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—
১. T.A.S.T.E. প্রকল্প
হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও পর্যটন খাতে দক্ষ কর্মী তৈরির জন্য এই প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটির মেয়াদ ১৮ মাস এবং সম্ভাব্য প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা ৭২০ জন।
এতে যেসব পেশার কর্মীদের প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
- রাঁধুনি ও সহকারী রাঁধুনি।
- রেস্টুরেন্টের ওয়েটার।
- হোটেল হাউসকিপিং কর্মী।
- পিৎজা প্রস্তুতকারক।
- হোটেলসংশ্লিষ্ট গ্রুমিং কাজে বিশেষায়িত পুরুষ হেয়ারড্রেসার।
- হোটেল রিসেপশনিস্ট।
- হোটেলের কক্ষ ও সাধারণ স্থান পরিচর্যার কর্মী।
প্রকল্পটির সঙ্গে ইতালীয় ও বাংলাদেশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে। রিজেন্সি হসপিটালিটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।
২. C.O.M.E.T. প্রকল্প
কারিগরি ও নির্মাণ খাতের দক্ষ কর্মীদের জন্য এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৬ সালের ৩ আগস্ট অনুমোদিত প্রকল্পটির মেয়াদ ২৪ মাস। এতে সম্ভাব্য প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা ৭০০ জন।
এ প্রকল্পে যেসব পেশার কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—
- ওয়েল্ডার।
- জাহাজ নির্মাণসংশ্লিষ্ট কারিগর।
- রাজমিস্ত্রি।
- প্লাস্টারিং কর্মী।
- টাইলস মিস্ত্রি।
- ইলেকট্রিশিয়ান।
ইতালির নির্মাণ, যন্ত্রপাতি উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে এসব কর্মীর দক্ষতা কাজে লাগানোর লক্ষ্য রয়েছে।
৩. বস্ত্রশিল্পে প্রশিক্ষণ প্রকল্প
ইতালির বস্ত্র ও ফ্যাশনশিল্পের জন্যও বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।
‘Tessere il Domani’ নামের প্রকল্পের আওতায় ২৫ জন বাংলাদেশি কর্মীকে বিশেষায়িত বস্ত্রশিল্পের কাজে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিট কাপড়ের বিভিন্ন অংশ সংযোজন ও বিশেষায়িত বুননকাজ।
প্রকল্পটির প্রশিক্ষণে ইতালীয় ভাষার ১৬০ ঘণ্টা, নাগরিক শিক্ষার ২০ ঘণ্টা, কর্মক্ষেত্রের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার ২০ ঘণ্টা এবং পেশাগত দক্ষতার ১২০ ঘণ্টা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ ক্ষেত্রে নির্বাচিত কর্মীদের ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার, যোগ্যতা ও আগ্রহ যাচাইয়ের মাধ্যমে বাছাই করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, এসব প্রকল্পের অনুমোদিত প্রশিক্ষণার্থীসংখ্যা মানেই সব পদে এখনই নিয়োগ চলছে, এমন নয়। প্রকল্পভেদে প্রশিক্ষণ ও নিয়োগের পর্যায় আলাদা।
প্রশিক্ষণের খরচ কে বহন করবে?
এই উদ্যোগের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে কর্মীদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণের জন্য অর্থ নেওয়া হবে না।
ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট ইতালীয় নিয়োগকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলো প্রশিক্ষণের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে। কর্মীদের কোনো মধ্যস্থতাকারীকে অর্থ দিতে হবে না।
তিনি আরও সতর্ক করেছেন, কোনো কর্মী মধ্যস্থতাকারীকে অর্থ দিয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁর ভিসা প্রত্যাখ্যাত হতে পারে।
তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার থাকা প্রয়োজন। বিনা খরচের ঘোষণা মূলত অনুমোদিত প্রশিক্ষণ ও নিয়োগব্যবস্থার ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পাসপোর্ট, ব্যক্তিগত কাগজপত্র, চিকিৎসা পরীক্ষা, যাতায়াতসহ সব ধরনের ব্যক্তিগত ব্যয় প্রতিটি প্রকল্পে শূন্য হবে—এমন নিশ্চয়তা এখনো প্রকাশিত হয়নি।
অর্থাৎ, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি ইতালি পাঠানোর নামে কর্মীর কাছে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করে, তাহলে সেটিকে সরকারি এই উদ্যোগের স্বাভাবিক খরচ বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
কোটা ছাড়াই নিয়োগ, তবে চাকরি ও ভিসা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া কী?
প্রশিক্ষণ শেষ করার পর নির্বাচিত কর্মীদের জন্য ইতালিতে চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রথমে সংশ্লিষ্ট ইতালীয় নিয়োগকর্তা কর্মীর নামে ‘নুল্লা ওস্তা’ বা কাজের অনুমোদনের আবেদন করবেন। অনুমোদন পাওয়ার পর কর্মী ইতালীয় দূতাবাসের মাধ্যমে কাজের ভিসার আবেদন করতে পারবেন।
ইতালির শ্রম মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর ১২ মাসের মধ্যে ভিসার আবেদন করা যায়। নিয়োগকর্তার চাকরির প্রস্তাব ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে নুল্লা ওস্তা এবং ভিসা এক বিষয় নয়। নুল্লা ওস্তা হলো নিয়োগকর্তাকে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমোদন। চূড়ান্ত ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ইতালীয় কনস্যুলার কর্তৃপক্ষের।
অর্থাৎ শুধু প্রশিক্ষণ সনদ হাতে পেলেই ইতালি যাওয়া নিশ্চিত হবে না। নির্দিষ্ট চাকরি, নিয়োগকর্তার আবেদন এবং ভিসা অনুমোদনের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করতে হবে।
ইতালিতে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্ব বাড়ছে
ইতালিতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের উপস্থিতি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
সেমিনারে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ইতালিতে বর্তমানে প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার বাংলাদেশি বৈধভাবে বসবাস করছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮০ হাজারের কাজের অনুমতি রয়েছে। ২০২৫ সালে তাঁরা বাংলাদেশে প্রায় ১৭০ কোটি ডলার প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন।
অন্যদিকে উপদেষ্টা মাহদী আমিন ইতালিতে আড়াই লাখের বেশি বাংলাদেশির বসবাসের কথা উল্লেখ করেন।
মাহদী আমিন বলেন, দক্ষ, নিয়মতান্ত্রিক ও স্বল্প ব্যয়ে বিদেশে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা নতুন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ উদ্যোগকে সফল মডেল হিসেবে গড়ে তুলে ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশেও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
কর্মীদের বিদেশে যাওয়ার আগে প্রবাসী কার্ড দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ইংরেজির সঙ্গে তৃতীয় ভাষা হিসেবে ইতালীয়সহ অন্যান্য বিদেশি ভাষা কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
কবে থেকে আবেদন করা যাবে?
উপদেষ্টা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু হবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। ইতালীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ৩ নভেম্বরের সেমিনারে Article 23 প্রকল্পগুলোর আওতায় ইতালীয় ভাষা শিখছিলেন প্রায় ৩০০ প্রশিক্ষণার্থী।
তবে সব পেশার কর্মীর জন্য একসঙ্গে আবেদন গ্রহণ, নির্দিষ্ট বয়সসীমা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আবেদন শুরুর তারিখ কিংবা একক নিবন্ধনব্যবস্থা এখনো ঘোষণা করা হয়নি। প্রকল্প অনুযায়ী কর্মী নির্বাচন ও প্রশিক্ষণের শর্ত আলাদা হতে পারে।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ প্রক্রিয়ায় বিএমইটি ও বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) সহযোগিতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
ইতালির Article 23 ব্যবস্থায় বাংলাদেশের জন্য অনুমোদিত প্রশিক্ষণ প্রকল্পগুলো ইতিমধ্যে সরকারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নতুন সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিগগিরই সীমিত পরিসরে কর্মী নির্বাচন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
