ইসরায়েলকে বছরে ৩৮০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের, বদলাচ্ছে দুই দেশের সম্পর্ক?

১০ মিনিটে পড়ুন৩ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইসরায়েলের নিয়মিত পাওয়া বছরে ৩৮০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২০২৬ সালের শেষ থেকেই এ সহায়তা বন্ধ করার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজন হলে দেশটিকে সহায়তা করা হবে বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিন ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশটির অর্থনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতা এখন যথেষ্ট শক্তিশালী হওয়ায় মার্কিন অর্থসহায়তার আর প্রয়োজন নেই।

ট্রাম্পের এ ঘোষণা কয়েক দশক ধরে চলে আসা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নতুন তাৎপর্য পেয়েছে।

কীভাবে পায় ইসরায়েল ৩৮০ কোটি ডলার?

ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সামরিক সহায়তার বর্তমান কাঠামো তৈরি হয়েছিল ২০১৬ সালে। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের সঙ্গে ইসরায়েলের স্বাক্ষরিত ১০ বছর মেয়াদি একটি সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় ২০১৯ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত মোট ৩৮০০ কোটি ডলার সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

এই অর্থের দুটি প্রধান অংশ রয়েছে।

প্রথমত, বছরে ৩৩০ কোটি ডলার বৈদেশিক সামরিক অর্থায়ন বা ফরেন মিলিটারি ফাইন্যান্সিং (এফএমএফ)। এ অর্থ মূলত মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম, অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

দ্বিতীয়ত, বছরে ৫০ কোটি ডলার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যৌথ উন্নয়ন ও অর্থায়নের জন্য বরাদ্দ। এর আওতায় আয়রন ডোম, অ্যারো এবং ডেভিডস স্লিংয়ের মতো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা উন্নয়ন ও পরিচালনায় সহযোগিতা করা হয়।

অর্থাৎ, ইসরায়েলকে দেওয়া পুরো অর্থ সাধারণ নগদ সহায়তা নয়। এর বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার অর্থায়ন এবং একটি অংশ যৌথ প্রতিরক্ষা কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ।

চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ পর্যন্ত, তাহলে ২০২৬ সালেই বন্ধ হবে কীভাবে?

ট্রাম্পের ঘোষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এটি।

দুই দেশের বর্তমান ১০ বছর মেয়াদি সমঝোতার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। কিন্তু ট্রাম্প জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের শেষেই অর্থসহায়তা বন্ধ করা হবে।

তবে কীভাবে বিদ্যমান সমঝোতা থেকে আগাম বেরিয়ে আসা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো পরিকল্পনা প্রকাশ করেননি তিনি।

মার্কিন কংগ্রেসের গবেষণা বিভাগ (সিআরএস) জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এ ধরনের সমঝোতা স্মারক আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক সহায়তার অর্থ বরাদ্দের ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে। ফলে অর্থসহায়তা বন্ধ বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কংগ্রেসের অনুমোদন ও বাজেটসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৮ সালের আগে হঠাৎ করে পুরো সহায়তা বন্ধ করা সহজ নয়। এ ক্ষেত্রে বর্তমান সমঝোতা ধাপে ধাপে পরিবর্তন বা সমাপ্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।

এ কারণে ট্রাম্পের ঘোষণাকে এখনই কার্যকরভাবে অর্থসহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নীতিগত অবস্থানের একটি ঘোষণা।

আগেই সামরিক সহায়তা শূন্যে নামানোর কথা বলেছিলেন নেতানিয়াহু

ট্রাম্পের ঘোষণার আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয়ে কথা বলে আসছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আগামী ১০ বছরের মধ্যে মার্কিন সামরিক সহায়তা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার পরিকল্পনার কথা জানান।

পরবর্তী সময়ে মে মাসে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএসের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু আরও স্পষ্টভাবে বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সামরিক সহায়তার অংশটি শূন্যে নামিয়ে আনতে চান।

তবে তাঁর পরিকল্পনা ছিল আগামী এক দশকে ধীরে ধীরে মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমানো। ট্রাম্পের ঘোষণায় ২০২৬ সালের শেষ থেকেই অর্থসহায়তা বন্ধের কথা বলা হয়েছে।

অর্থাৎ দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে সহায়তা কমানোর বিষয়ে আলোচনা আগে থেকেই চলছিল। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করার ঘোষণাটি আগের পরিকল্পনার তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গাজা যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পেছনে শুধু ইসরায়েলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হয়। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ, ব্যাপক প্রাণহানি ও মানবিক বিপর্যয়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের একটি বড় অংশের মধ্যে ইসরায়েলকে নিঃশর্ত সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভোটারদের মধ্যে এ বিরোধিতা বেশি দৃশ্যমান। একই সঙ্গে রিপাবলিকানদের মধ্যেও একটি অংশ ইসরায়েলকে বিপুল অর্থের সামরিক সহায়তা দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত জুনে কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে ৪৮ শতাংশ মার্কিন ভোটার মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সহায়তা দিচ্ছে। ডেমোক্র্যাট ভোটারদের মধ্যে এ মতের সমর্থন ছিল ৬৬ শতাংশ।

এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে দেওয়া ৪০০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা রিপাবলিকানদের জন্যও রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে।

নির্বাচনের দিন ঘোষণা দেওয়ার পেছনে রাজনৈতিক হিসাব

ট্রাম্পের ঘোষণার সময়টিও বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে।

৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের ৩৫টি আসনের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হচ্ছে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। এল-সায়েদ ইসরায়েলকে নিঃশর্ত সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধিতা করে আসছেন।

ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাট ও বামপন্থী রাজনীতিকেরা ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন অর্থসহায়তাকে রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রচারণার বিষয় হিসেবে ব্যবহার করছেন। এ বিতর্কের সুযোগ দূর করতেই অর্থসহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

ফলে নির্বাচনের দিন এমন ঘোষণা দেওয়াকে মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ নির্বাচনী কৌশল হিসেবেও দেখছেন।

তবে নির্বাচনী রাজনীতিই এ সিদ্ধান্তের একমাত্র কারণ কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ইসরায়েলে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া, প্রশ্নের মুখে নেতানিয়াহু

ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইসরায়েলের বিরোধী রাজনীতিকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

নেতানিয়াহুর প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকট বলেছেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বিভাগ ও সাধারণ নাগরিকেরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের এমন পরিবর্তনের খবর জানতে পারছেন। তাঁর মতে, এটি নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ব্যর্থতার ইঙ্গিত এবং এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর জবাব দেওয়া প্রয়োজন।

বিরোধী জোটের আরেক নেতা ইয়াইর গোলান বলেছেন, একাধিক সামরিক ফ্রন্টে সংঘাত চলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধ হলে ইসরায়েলের নিরাপত্তার ওপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। এতে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যয়ের চাপ শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের জনগণের ওপর পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে ট্রাম্পের ঘোষণার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নেতানিয়াহু বা তাঁর দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অর্থসহায়তা বন্ধ হলেও অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত থাকবে

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মার্কিন অর্থসহায়তা বন্ধ করার অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সামরিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া নয়।

ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, ইসরায়েলের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজন হলে দেশটিকে সহায়তাও করা হবে।

বর্তমানে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানসহ অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। নতুন যুদ্ধবিমান, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিদ্যমান অর্থসহায়তার বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি অস্ত্র কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। ফলে সহায়তা বন্ধ হলে ইসরায়েলের পাশাপাশি মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের ওপরও অর্থনৈতিক প্রভাব পড়তে পারে।

এ ছাড়া আগে অনুমোদিত বহু অস্ত্রের ক্রয়াদেশ ও সরবরাহ প্রক্রিয়া কয়েক বছর ধরে চলে। ফলে নতুন অর্থসহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিলেই আগের সব অস্ত্র সরবরাহ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্ক কি নতুন কাঠামোয় যাচ্ছে?

১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশটির অন্যতম প্রধান সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা কৌশলে ওয়াশিংটনের সহযোগিতা দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

কিন্তু গাজা যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জনমত, কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থান এবং ইসরায়েলের নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রে সরাসরি আর্থিক অনুদানের পরিবর্তে যৌথ সামরিক প্রযুক্তি উন্নয়ন, অস্ত্র উৎপাদন এবং বাণিজ্যিকভাবে অস্ত্র কেনাবেচার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।

তবে এ ধরনের পরিবর্তনের বাস্তব রূপরেখা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ট্রাম্পের ঘোষণায় একদিকে ইসরায়েলের সরাসরি মার্কিন অর্থসহায়তা বন্ধের কথা বলা হয়েছে, অন্যদিকে অস্ত্র বিক্রি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে ২০২৮ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকা সমঝোতা, মার্কিন কংগ্রেসের অর্থ বরাদ্দের ক্ষমতা এবং দুই দেশের সামরিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কাঠামো—এই তিনটি বিষয়ই নির্ধারণ করবে ঘোষণাটি কত দ্রুত ও কীভাবে বাস্তবায়িত হবে।

Bhinno Britto

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় অনুমোদনের পর প্রকাশিত হয়।